সংক্ষিপ্ত উত্তর

না, আর এটি নারীবিদ্বেষী নয়। কুরআন আল্লাহর (﷾) কাছে পুরুষ ও নারীকে সমান করে। এটি প্রতিশ্রুতি দেয় যে কোনো সৎকর্ম নষ্ট হবে না, পুরুষের হোক বা নারীর। ইসলামি আইন চৌদ্দ শতাব্দী আগে নারীদের এমন অধিকার দিয়েছিল যা ইংল্যান্ড ও আমেরিকার নারীরা অর্জন করেছেন কেবল গত দুই শতাব্দীতে। একজন মুসলিম নারী সম্পত্তির মালিক হতে পারেন, নিজের উপার্জন নিজের কাছে রাখতে পারেন এবং উত্তরাধিকারে একটি নির্দিষ্ট অংশ পান। নবী (ﷺ) আবশ্যক করেছিলেন যে বিয়ের আগে নারীর মত নিতে হবে। এক বাবা মেয়ের ওপর যে বিয়ে চাপিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি তা বাতিল করেছিলেন। নারী বিবাহবিচ্ছেদও চাইতে পারেন। কুরআন তাকে শাস্তি দেয় যে চারজন সাক্ষী ছাড়া একজন সতী নারীকে অভিযুক্ত করে। এটি কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়ার নিন্দা করেছিল। এটি কখনো প্রথম পাপের জন্য কেবল হাওয়াকে দোষ দেয় না। সমালোচকরা যে আয়াত ও হাদিস উদ্ধৃত করেন, পুরোটা পড়লে সেগুলোর অর্থ ভিন্ন, যেমন নিচে দেখানো হয়েছে। আজ যেখানে মুসলিম নারীরা এই অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত, সেখানে দোষ প্রথার, ইসলামের নয়। ইসলামের উত্তর: আল্লাহর (﷾) কাছে নারীরা পুরুষের সমান, আর তাঁদের অধিকার এর আইনে লেখা আছে।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন