সংক্ষিপ্ত উত্তর

না। ইসলাম তার সবচেয়ে স্পষ্ট ভাষায় সন্ত্রাসবাদ নিষেধ করে। কুরআন বলে, একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করার মতো। এটি আত্মহত্যা নিষেধ করে। এটি বৈধ যুদ্ধেও সীমা লঙ্ঘন নিষেধ করে। নবী (ﷺ) নারী ও শিশুদের হত্যা নিষেধ করেছিলেন। তিনি তাকে অস্বীকার করেছেন, যে তাঁর উম্মতের ওপর আক্রমণ করে, ভালো-মন্দ নির্বিশেষে হত্যা করে, এবং অন্যদের দেওয়া নিরাপত্তার অঙ্গীকার ভাঙে। তিনি বলেছেন, কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে সবার আগে রক্তপাতের বিচার হবে। আল-কায়েদা ও আইএসের মতো দলগুলো নারী ও শিশুদের হত্যা করে, মানুষকে নির্যাতন করে এবং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে। ইসলামি আইন এর প্রতিটি নিষেধ করে। একটি ধর্মের বিচার হয় তার উৎস দিয়ে, আর সেই উৎসগুলো নিরপরাধদের হত্যার নিন্দা করে। সন্ত্রাস ইসলামের দুর্নামও করে, আর যার জন্য লড়ছে বলে দাবি করে, তা খুব কমই অর্জন করেছে। যে মুসলিম নিজেকে অন্যায়ের শিকার মনে করেন, তিনি যেন আইনের মধ্যে থেকে কথা বলেন, বয়কট করেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করেন, ভোট দেন বা নির্বাচনে দাঁড়ান, আর কখনো নিজে সহিংসতার পথ না ধরেন। এটাই ইসলামের উত্তর।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন