সংক্ষিপ্ত উত্তর

বেশিরভাগই, হ্যাঁ। কীভাবে জীবন যাপন করতে হবে, সে বিষয়ে খ্রিস্টান ও মুসলিমরা প্রায় একই মূল্যবোধ ধারণ করেন। দুটোই এক ঈশ্বরের (﷾) ইবাদত, প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসা, সততা ও ন্যায়ের শিক্ষা দেয়। দুটোই দয়া আর দরিদ্রদের যত্নের শিক্ষা দেয়। দশ আজ্ঞার বেশিরভাগ কুরআনেও আছে। দুটোই যৌনতাকে বিবাহের জন্য রাখে, শালীন পোশাক চায়, আর প্রার্থনা ও রোজার শিক্ষা দেয়। কয়েকটি বিধানে তারা আলাদা। মূসার বিধান শূকরের মাংস নিষেধ করে, কুরআনও করে, কিন্তু অনেক খ্রিস্টান তা খান। বাইবেল মাতলামি নিষেধ করে, অথচ কুরআন সব মাদক নিষেধ করে। বাইবেল ও মধ্যযুগীয় গির্জা সুদের নিন্দা করেছিল, আর ইসলাম এখনো সুদ নিষেধ করে। সবচেয়ে গভীর পার্থক্য বিশ্বাসে, আচরণে নয়। খ্রিস্টানরা যিশুকে ঈশ্বর হিসেবে উপাসনা করেন, আর মুসলিমরা তাঁকে একজন নবী হিসেবে সম্মান করেন। যিশু নিজে অনেকটা মুসলিমদের মতোই জীবন যাপন করেছিলেন। তাঁর খতনা হয়েছিল, তিনি মাটিতে মুখ রেখে প্রার্থনা করতেন আর মানুষকে শান্তির সালাম দিতেন। ইসলাম মনে করে এটি সেই মূল্যবোধগুলোই ধরে রেখেছে, যা যিশু নিজে শিখিয়েছিলেন আর পালন করেছিলেন।

এক, না ভিন্ন?
মূল্যবোধখ্রিস্টান শিক্ষাইসলাম
এক আল্লাহর (﷾) ইবাদত
প্রতিবেশী ও অপরিচিতকে ভালোবাসা
হত্যা, চুরি বা ব্যভিচার নয়
দরিদ্রকে খাওয়ানো, এতিমের দেখাশোনা
অন্যকে ক্ষমা করা
যৌনতা শুধু বিয়ের মধ্যে
শালীন পোশাক
নামাজ ও রোজা
শূকরের মাংস নয়
মদ নয়
সুদ নয়
যিশু ঈশ্বর
  • হ্যাঁ
  • আংশিক
  • না

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন