সংক্ষিপ্ত উত্তর

কামনা থেকে নয়। নবী (ﷺ) পঁচিশ বছর বয়সে তাঁর চেয়ে বয়সে বড় এক বিধবা খাদিজাকে বিয়ে করেন। প্রায় পঁচিশ বছর, তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত, তিনিই ছিলেন তাঁর একমাত্র স্ত্রী। সাওদা ও আয়েশা ছাড়া বাকি সবাই এসেছিলেন তাঁর তিপ্পান্ন বছর বয়সের পর। ততদিনে তিনি যুদ্ধরত একটি রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এবং দারিদ্র্যে জীবনযাপন করছিলেন। আয়েশা ছাড়া প্রত্যেক স্ত্রীর আগে বিয়ে হয়েছিল। বিয়েগুলো বিধবাদের আশ্রয় দিয়েছিল, গোত্রগুলোকে যুক্ত করেছিল এবং একজন বন্দিনীকে মুক্ত করেছিল। অন্য মুসলিমরা চারজন পর্যন্ত বিয়ে করতে পারে; কেবল তাঁরই এর বেশির অনুমতি ছিল। আল্লাহ (﷾) তাঁর পরে তাঁর স্ত্রীদের বিয়ে করা যে কোনো পুরুষের জন্য নিষিদ্ধ করেছিলেন। এ কারণেই আলেমরা বলেন, সংখ্যা চারে নামিয়ে আনতে তাঁকে তাঁদের কাউকে তালাক দিতে বলা হয়নি। পরে আল্লাহ (﷾) তাঁকে আবার বিয়ে করতে নিষেধ করেন। সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরও তিনি নতুন কোনো স্ত্রীকে তাঁর সংসারে আনেননি। ইসলামের উত্তর হলো, আল্লাহ (﷾) এই বিয়েগুলো নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন এবং এগুলো বার্তার কাজে লেগেছিল।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন