সংক্ষিপ্ত উত্তর

সূক্তগুলোর নিজেদের বিবরণ অনুযায়ী, মানব কবিরা। ঋগ্বেদের কবিরা বলেন তাঁরা তাঁদের সূক্তগুলো ‘রচনা’ করেছেন, যেমন একজন কারিগর রথ গড়ে। তাঁরা তাঁদের সূক্তকে ‘নতুন’ বলেন, নিজেদের নাম দেন, এবং ‘প্রাচীন ও নবীন’ ঋষিদের কথা বলেন। একজন কবি বলেন, একজন রাজা তাঁকে গাভী ও রথ দিয়ে পারিশ্রমিক দিয়েছিলেন। পরবর্তী দর্শনধারাগুলো বেদকে রচয়িতাহীন বলেছে, কিন্তু এটি কোথা থেকে এসেছে তা নিয়ে তারা একমত নয়। কোন গ্রন্থগুলো গণ্য, তাও মীমাংসিত নয়। হিন্দুরা বেদকে সর্বোচ্চ স্থান দেন, তবু কোন উপনিষদগুলো (বেদের শেষে থাকা দার্শনিক গ্রন্থ) এর অন্তর্ভুক্ত তা নিয়ে তাঁরা ভিন্নমত পোষণ করেন। মহাকাব্য ও পুরাণগুলোকে বলা হয় “পঞ্চম বেদ”। কুরআন নিজের সম্পর্কে উল্টো কথা বলে। এটি নিজেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর (﷾) বাণী হিসেবে উপস্থাপন করে। এটি নবী (ﷺ)-কে বলে দেয় কী বলতে হবে, এবং তাঁকে সতর্ক করে যেন তিনি কখনো একটি শব্দও বানিয়ে না বলেন। এটি একটিই গ্রন্থ, প্রত্যেক মুসলিমের জন্য একই।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন