সংক্ষিপ্ত উত্তর

বাইবেল দাসপ্রথার অনুমতি দেয়, আর এটি কখনো দাসমুক্তিকে পাপের কাফফারা বা জান্নাত অর্জনের কাজ বানায় না। বিধান ইসরাইলকে বিদেশিদের দাস হিসেবে কিনতে দেয়, যারা “চিরকাল তোমাদের দাস থাকবে”। যে মালিক তার দাসকে প্রহার করে, দাস এক-দুই দিন বেঁচে থাকলে সে শাস্তি পায় না, “কারণ সে তার টাকা”। একজন বাবা তার মেয়েকে বিক্রি করতে পারে। নূতন নিয়ম দাসদের ভয় ও কম্পনের সঙ্গে তাদের প্রভুদের বাধ্য থাকতে বলে। ইসলামও দাসপ্রথাকে সর্বত্র বিদ্যমান পেয়েছিল। এটি একজন স্বাধীন মানুষকে দাস বানানোর প্রতিটি পথ বন্ধ করে দিয়েছিল, বৈধ যুদ্ধে বন্দি হওয়া ছাড়া। এটি মুমিনদের দাস মুক্ত করতে উৎসাহিত করেছিল। নবী (ﷺ) একটি চড়ের কাফফারা বানিয়েছিলেন মুক্তি। তিনি বলেছিলেন, যে স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে আল্লাহ (﷾) তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন। কুরআন দাসমুক্তিকে বানায় একটি ইবাদত, একটি দান আর পাপের কাফফারা। আজ মুসলিম আলেমরা দাসপ্রথাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন