সংক্ষিপ্ত উত্তর

হ্যাঁ, আর যুক্তি তা দেখাতে পারে। আমরা যা কিছু দেখি, তার প্রত্যেকটি অন্য কিছুর ওপর নির্ভর করে: আপনি আপনার বাবা-মায়ের ওপর, পৃথিবী সূর্যের ওপর, সূর্য তার জ্বালানির ওপর। যা কিছু অন্যের ওপর নির্ভর করে, তা যত সংখ্যাতেই থাকুক, নিজেদের ব্যাখ্যা দিতে পারে না। তাই শেষ পর্যন্ত এমন একজনকে থাকতেই হবে, যিনি কোনো কিছুর ওপর নির্ভর করেন না। মহাবিশ্বেরও একটি শুরু ছিল, আর যা কিছুর শুরু আছে, তার একটি কারণ আছে। সেই কারণ সময় ও বস্তুর বাইরে, আর সৃষ্টির মুহূর্তটি তা নিজেই বেছে নিয়েছে। এর নিয়মগুলো নিখুঁত এবং গণিতে লেখা। আর এর কয়েকটি সংখ্যা এত সূক্ষ্মভাবে স্থির করা যে সামান্য পরিবর্তনেই কোনো নক্ষত্র বা জীবন থাকত না। আমাদের ভেতরে আরও তিনটি নিদর্শন আছে: সচেতন একটি মন, ন্যায়-অন্যায়ের বোধ, এবং একজন স্রষ্টার প্রতি স্বাভাবিক টান। কুরআন প্রশ্ন করে: তারা কি স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে, নাকি তারা নিজেরাই স্রষ্টা? ইসলামের উত্তর হল আল্লাহ (﷾), সেই এক, যাঁর কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই, অথচ সব কিছুরই তাঁকে প্রয়োজন।

আল্লাহর (﷾) দিকে নির্দেশ করা ছয়টি নিদর্শন

  • সবকিছু অন্য কিছুর ওপর নির্ভরশীল, তাই এমন একজন থাকতেই হবে যিনি কিছুর ওপর নির্ভরশীল নন।
  • মহাবিশ্বের একটি শুরু ছিল, আর যার শুরু আছে তার একটি কারণ আছে।
  • এর কয়েকটি সংখ্যা এত সূক্ষ্মভাবে নির্ধারিত যে সামান্য পরিবর্তনেও কোনো নক্ষত্র বা প্রাণ থাকত না।
  • আমাদের সচেতন মন আছে, যার কোনো ভৌত ব্যাখ্যা এখনো কেউ দিতে পারেনি।
  • আমরা জানি, কিছু কাজ ঠিক আর কিছু ভুল।
  • বিশটি দেশে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ স্বভাবতই উপাস্য ও পরকালে বিশ্বাসের দিকে ঝোঁকে।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন