সংক্ষিপ্ত উত্তর

যেখানে এর শাস্ত্র জগতের বর্ণনা দেয়, সেখানে নয়। প্রাচীনতম বৌদ্ধ শাস্ত্র পালি গ্রন্থগুলো পর্বতরাজ সিনেরুর বর্ণনা দেয়। এগুলো একে 84,000 যোজন উঁচু এবং 84,000 যোজন গভীর বানায়। এই গ্রন্থগুলোতে এক যোজন প্রায় সাত মাইল, তাই পর্বতটি চাঁদের দূরত্বের দ্বিগুণেরও বেশি পর্যন্ত পৌঁছাত। একটি সুত্তে সূর্যদেবকে এক অসুর রাহু ধরে ফেলে, আর বুদ্ধের শ্লোকে তিনি মুক্তি পান। আসলে সূর্যগ্রহণ হলো চাঁদের ছায়া। বুদ্ধ আরও বলেন, পৃথিবী পানির ওপর আর পানি বাতাসের ওপর আছে, আর একটি প্রবল বাতাস পৃথিবীকে কাঁপায়। তিনি যোগ করেন, একজন বুদ্ধ যখন গর্ভে আসেন, জন্মান বা বোধিলাভ করেন, তখন তা কাঁপে। ভূমিকম্প আসে পৃথিবীর ভূত্বকের ফাটল বরাবর আকস্মিক সরে যাওয়া থেকে। নবী (ﷺ) শিখিয়েছেন, কারও মৃত্যু বা জন্মের জন্য গ্রহণ হয় না।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন