সংক্ষিপ্ত উত্তর

না। কুরআন শয়তানকে মানবজাতির প্রকাশ্য শত্রু বলে, এবং এটি যা কিছু শিক্ষা দেয় তার সবই তার বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি আল্লাহ (﷾) ছাড়া অন্য কিছুর ইবাদত নিষেধ করে, যে পাপটি শয়তান সবচেয়ে বেশি চায়। এটি পাঠকদের বলে তার পদাঙ্ক অনুসরণ না করতে, এবং তিলাওয়াতের আগে তার থেকে আল্লাহর (﷾) আশ্রয় চাইতে। এটি বলে, কোনো শয়তান এটি নিয়ে নামেনি: তা তাদের জন্য মানানসই নয়, আর তারা পারতও না। যখন যিশুর বিরুদ্ধে ভূতদের অধিপতির সাহায্যে ভূত তাড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল, তখন তিনিও একই উত্তর দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, শয়তান যদি শয়তানকে তাড়ায়, তবে তার রাজ্য টিকতে পারে না। নবীর (ﷺ) সাহাবিরা দেখেছিলেন ফেরেশতা জিবরাইল মানুষের রূপে এসে তাঁদের দ্বীন শিক্ষা দিচ্ছেন। যে বার্তা মানুষকে শয়তান থেকে ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর (﷾) দিকে নিয়ে যায়, তা শয়তানের কাজ নয়।

পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ুন

আপনার সংরক্ষিত পৃষ্ঠাগুলো দেখুন